নির্দেশনা
প্রাথমিক ব্যবহার- মস্তিষ্কে ঘাটতি জনিত: আলঝেইমার এবং স্মৃতিভ্রংশ রােগের কারনে সৃষ্ট স্মৃতিশক্তি হ্রাস, হতাশা, মনােযােগহীনতা এবং স্মৃতিহীনতায় মাথা ঘােরা এবং কানে ভোঁভোঁ শব্দানুভূতিতে যা ভাস্কুলার এবং ইনভল্যুশনাল অরিজিন থেকে উৎপন্ন। পেরিফেরাল ভাস্কুলার রােগ: ধমনী সরু হয়ে যাওয়া রােগে ( স্টেজ ২) আক্রান্তদের ব্যথাহীন ভাবে হাঁটার দূরত্ব বৃদ্ধিতে, যা নির্নয় করা হয় ফন্টেইন রেজিমেন্টের মাধ্যমে, যা নির্দিষ্ট দূরত্বের হাঁটার ব্যায়ামের সাথে দৈহিক থেরাপিউটিক হিসেবের উপর ভিত্তি করে তৈরি। অন্যান্য উল্লেখযােগ্য ব্যবহার- তীব্র মধ্যকর্ণ বধিরতা। এস এস আর আই ব্যবহার জনিত যৌন অক্ষমতা। দেহে অক্সিজেন ঘাটতি অবস্থা প্রতিরােধ।
Composition
ফার্মাকোলজি
জিংকগাে অনুচক্রিকাকে প্ল্যাটিলেট এক্টিভিটিং ফ্যাক্টরের (পিএএফ) সাথে যুক্ত হওয়া থেকে বিরত রেখে অনুচক্রিকা সমূহের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া এবং রক্তের বর্ধমান তারল্যকে দমন করে। এটি থ্রম্বোসিস কমিয়ে দেয়। ডিমেনশিয়াতে এটি চেতনা, কার্যকর স্মৃতি এবং স্বল্পমেয়াদী ভিজুয়াল মেমোরি, সেরেব্রাল অপ্রতুলতায় স্বল্পমেয়াদী স্মৃতি, ডিমেনশিয়াতে সামাজিকীকরণ, মনােযােগ, মনােনিবেশ, টিনিটাস ইত্যাদির উন্নতি ঘটায়। এছাড়াও এটি ৬০ বছরের নিচে বয়স্কদের এডিএল স্কোর এবং অন্যান্য বয়স্কদের ক্ষেত্রে মুড, ঘুম ইত্যাদির অবস্থার উন্নতি ঘটায়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
জিংকগো বিলােবা ৬০ মি.গ্রা.: দৈনিক ১-২ টি ক্যাপসুল অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য। জিংকগো বিলােবা ১২০ মি.গ্রা.: দৈনিক ১-২ টি ক্যাপসুল অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
প্রতিনির্দেশনা
যে সকল রােগীরা রক্ত জমাট বিরােধী, এন্টিপ্লাটিলেট ঔষধ যেমন- ওয়ারফারিন, হেপারিন এবং এসপিরিন গ্রহণ করছেন, তাদের ক্ষেত্রে জিংকগাে বিলােবা সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। যাদের রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে এটির দীর্ঘ ব্যবহার (৬- ১২ মাস) উচিৎ নয়। এটি ইলেক্টিভ সার্জারীর পূর্বেও ব্যবহার করা উচিৎ নয়। যে সব রােগীদের ইন্ট্রাক্ৰানিয়াল রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা আছে তাদেরও এটি ব্যবহার উচিৎ নয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ওষুধটি সঠিক মাত্রায় প্রয়ােগে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় না। ১০,০০০ রােগীর মধ্যে পরিচালিত একটি ক্লিনিক্যাল গবেষনায় দেখা গেছে জিংকগো বিলােবা নির্যাসের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুবই কম। মাথা ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, অস্থিরতা, পাকস্থলীর সমস্যা রক্তক্ষরণ ও চামড়ায় এলার্জি এ ধরণের অল্প কয়েকটি ঘটনার কথা জানা যায়। প্রযােজ্য মাত্রার অতিরিক্ত ওষুধ গ্রহণে ডায়রিয়া, বমিভাব, বমি, অস্থিরতা অথবা দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থায় অথবা স্তন্যদানকালে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন বাধা আছে বলে জানা যায় নি।
সতর্কতা
থেরাপিউটিক ক্লাস
Herbal and Nutraceuticals