নির্দেশনা
আরডাফিটিনিব হল একটি কাইনেজ ইনহিবিটর যা লোকালি অ্যাডভান্সড অথবা মেটাস্ট্যাটিক ইউরোথেলিয়াল কার্সিনোমায় (এমইউসি) প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত যা সংবেদনশীল এফজিএফআর৩ বা এফজিএফআর২ এর জেনেটিক পরিবর্তন এবং অন্তত একটি প্লাটিনাম কেমোথেরাপি নিয়েছেন তাদের মধ্যে ১২ মাসের মধ্যে নিওঅ্যাডজুভেন্ট বা অ্যাডজুভেন্ট প্লাটিনাম-কেমোথেরাপি নেওয়ার পরে রোগের অবনতি হলে।
Composition
ফার্মাকোলজি
আরডাফিটিনিব একটি কাইনেজ ইনহিবিটর এবং ইন ভিট্রো ডাটার উপর ভিত্তি করে দেখা গেছে এটি এফজিএফআর১, এফজিএফআর২, এফজিএফআর৩ এবং এফজিএফআর৪ এর সাথে আবদ্ধ হয়ে এদের এনজাইমেটিক কার্যকলাপে বাধা প্রদান করে থাকে। এছাড়াও আরডাফিটিনিব আরইটি, সিএসএফ১আর, পিডিজিএফআরএ, পিডিজিএফআরবি, এফএলটি৪, কেআইটি, এবং ভিইজিএফআর২ এর সাথে ও সংযুক্ত হয়। আরডাফিটিনিব এফজিএফআর ফসফোরাইলেশন এবং সিগন্যালিং কে বাধা প্রদান করে থাকে যা সেল লাইনে প্রকাশিত এফজিএফআর এর জেনেটিক পরিবর্তনসহ পয়েন্ট মিউটেশন, অ্যামপ্লিপিকেশন এবং ফিউশনের জন্য দায়ী। আরডাফিটিনিব এর অ্যান্টি-টিউমার কার্যকলাপ এফজিএফআর এক্সপ্রেসিং সেল লাইন এবং মূত্রাশয় ক্যান্সার সহ বিভিন্ন জেনোগ্রাফ্ট মডেলগুলিতে দেখা গিয়েছে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
আরডাফিটিনিব এর প্রস্তাবিত প্রাথমিক মাত্রা হল প্রতিদিন একবার মৌখিকভাবে ৮ মি.গ্রা. (দুটি ৪ মি.গ্রা. ট্যাবলেট) এবং ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে সহনশীলতা ও সিরাম ফসফেট (পিও৪) লেবেলের উপর ভিত্তি করে ডোজ ৯ মি.গ্রা. (তিনটি ৩ মি.গ্রা. ট্যাবলেট) পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়ে থাকে। রোগের অগ্রগতি বা অগ্রহণযোগ্য বিষক্রিয়া না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। যদি আরডাফিটিনিব এর একটি ডোজ মিস করা হয়, তবে এটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একই দিনে নেওয়া যেতে পারে। পরের দিন আরডাফিটিনিব এর নিয়মিত ডোজ একই সময়সূচী অনুযায়ী চালিয়ে যেতে হবে। কোন ডোজ বাদ গেলে তা পূরণ করতে অতিরিক্ত ট্যাবলেট নেওয়া উচিত হবে না।
প্রতিনির্দেশনা
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
পরীক্ষাগারের অস্বাভাবিকতা (২২০%) সহ সর্বাধিক সাধারণ বিরূপ প্রতিক্রিয়াগুলি হল ফসফেট বৃদ্ধি, স্টোমাটাইটিস, ক্লান্তি, ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি, ডায়রিয়া, শুষ্ক মুখ, নখের ব্যাধি, অ্যালানিন অ্যামিনোট্রান্সফারেজ বৃদ্ধি, ক্ষারীয় অ্যালকালাইন ফসফেটেজের বৃদ্ধি, সোডিয়াম হ্রাস, ক্ষুধা মন্দা, অ্যালবুমিন হ্রাস, স্বাদগ্রহণ হ্রাস, হিমোগ্লোবিন হ্রাস, শুষ্ক ত্বক, অ্যাসপার্টেট অ্যামিনোট্রান্সফারেজ বৃদ্ধি, ম্যাগনেসিয়াম হ্রাস, শুষ্ক চোখ, অ্যালোপেসিয়া, পালমার-প্যান্টার এরিথ্রোডিসেথেসিয়া সিন্ড্রোম, কোষ্ঠকাঠিন্য, ফসফেট হ্রাস, পেটে ব্যথা, ক্যালসিয়াম বৃদ্ধি, বমি বমি ভাব এবং পেশীর ব্যথা।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
সতর্কতা
চোখের ব্যাধি : আরডাফিটিনিব সেন্ট্রাল সেরাস রেটিনোপ্যাথি/রেটিনাল পিগমেন্ট এপিথেলিয়াল ডিটাচমেন্ট (সিএসআর/আরপিইডি) সৃষ্টি করতে পারে। চিকিৎসার প্রথম চার মাসের প্রতি মাসে চক্ষু সংক্রান্ত পরীক্ষা করতে হবে, তারপর প্রতি ৩ মাস অন্তর এবং যে কোনো সময় দৃষ্টি শক্তির উপসর্গের উপর ভিত্তি করে। সিএসআর/আরপিইডি ঘটলে আরডাফিটিনিব স্থগিত রাখতে হবে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে যদি এটি ৪ সপ্তাহের মধ্যে ভাল না হয় বা যদি গ্রেড ৪ মাত্রার হয়ে থাকে। হাইপারফসফেটেমিয়া : হাইপারফসফেটেমিয়া মনিটর করতে হবে এবং প্রয়োজনে ডোজ পরিবর্তন করতে হবে। ভূণের উপর প্রতিক্রিয়া : যেহেতু এটি ভ্রূণের ক্ষতির কারণ হতে পারে তাই ভূণের সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রতিরোধে কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবহার করা উচিত।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Cytotoxic Chemotherapy