নির্দেশনা
অ্যান-অ্যারোবিক ও গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া যেমন স্ট্রেপ্টোকক্কি, স্ট্যাফাইলোকক্কি ও নিউমোকক্কি সংক্রমণে কার্যকর। উর্ধ্ব শ্বাসনালীর সংক্রমণ, নিম্ন শ্বাসনালীর সংক্রমণ, ত্বক ও কোমল কলার সংক্রমণ, অস্থি ও অস্থিসন্ধির সংক্রমণ, পেলভিক সংক্রমণ, উদরের অভ্যন্তরীণ সংক্রমণ, সেপ্টিসেমিয়া ও এন্ডোকার্ডাইটিস, দাঁতের সংক্রমণ, মাল্টি ড্রাগ রেসিসট্যান্ট পাসমোডিয়াম ফ্যালসিপোরাম সংক্রমণে কুইনাইন ও এমোডিয়াকুইনের সাথে বিকল্প সহযোগী চিকিৎসা হিসাবে।
Composition
ফার্মাকোলজি
মাত্রা ও সেবনবিধি
ক্লিন্ডামাইসিন ক্যাপসুল এর মাত্রা : তীব্র সংক্রমণ: ১৫০-৩০০ মি.গ্রা. ৬ ঘণ্টা পর পর। অতি তীব্র সংক্রমণ: ৩০০-৪৫০ মি.গ্রা. ৬ ঘণ্টা পর পর। ক্যাপসুল গ্রহন করার পর এক গাস পানি পান করলে অন্ন নালীর জ্বালা হতে মুক্তি পাওয়া যায়। বিভিন্ন গবেষনায় দেখা গেছে, ক্লিন্ডামাইসিন ৩০০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল ১২ ঘণ্টার চেয়ে অধিক সময় প্লাসমাতে ওষুধের মাত্রা বজায় রাখে যা কিনা MIC 90 চেয়ে বেশী। এই পর্যবেক্ষন ক্লিন্ডামাইসিন ৩০০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল এর দিনে দুইবার ব্যবহার কে সমর্থন করে যা চর্মরোগ ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমনে বিশেষ ভাবে প্রয়োয্য। তথাপি, বোন ও জয়েন্ট সংক্রমনের ক্ষেত্রে ক্লিন্ডামাইসিন ৩০০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল দিনে ৩-৪ বার ব্যবহার করা উচিত। ক্লিন্ডামাইসিন পাউডার ফর ওরাল সলিউশন : গুরুতর সংক্রমণ: ৮-১২ মি.গ্রা./কেজি/দিন ৩-৪ টি সমবিভক্ত মাত্রায়। তীব্র সংক্রমণ: ১৩-১৬ মি.গ্রা./কেজি/দিন ৩-৪ টি সমবিক্ত মাত্রায়। অতি তীব্র সংক্রমণ: ১৭-২৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন ৩-৪ টি সমবিভক্ত মাত্রায়। ১০ কেজি বা তার চেয়ে কম ওজনের শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দেশিত নুন্যতম হল ১/২ চামচ (৩৭.৫ মি.গ্রা.) দিনে তিনবার। ক্লিন্ডামাইসিন আইভি/আইএম ইঞ্জেকশনের মাত্রা : প্রাপ্ত বয়ষ্ক: গ্রাম পজিটিভ কক্কি ও সাসেপ্টেবল অ্যান-অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়াজনিত তীব্র সংক্রমণে: দিনে ৬০০-১২০০ মি.গ্রা. ২-৪ টি সমবিভক্ত যাত্রায় অতি তীব্র সংক্রমণে: দিনে ১২০০-২৭০০ মিয়া ২-৪ টি সমবিভক্ত যাত্রায়। অতি তীব্র সংক্রমণের ক্ষেত্রে: ডোজ বাড়াতে হতে পারে। অ্যারোবিক বা অ্যান-অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংকটানাপন্ন অবস্থায় বাড়াতে হতে পারে। প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে শিরাপথে দিনে ৪৮০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত ডোজ বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ৬০০ মি.গ্রা. এর অধিক মাত্রায় মাংশপেশীতে নির্দেশিত নয়। নবজাতকের (১ মাসের নীচে) ক্ষেত্রে: ১৫-২০ মি.গ্রা./কেজি/দিন ৩-৪ টি সমবিভক্ত মাত্রায়। অপরিনত নবজাতক এর ক্ষেত্রে নিম্ন কার্যকর মাত্রাই যথেষ্ট। শিশুদের ক্ষেত্রে (১ মাস-১৬ বছর)- ২০-৪০ মি.গ্রা./কেজি/দিন ৩-৪ টি সমবিভক্ত মাত্রায়। তীব্র সংক্রমণের ক্ষেত্রে অধিক মাত্রায় দেয়া যাবে। রোগীর অবস্থার উন্নতি এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ইঞ্জেকশনের পরিবর্তে ক্যাপসুল দিয়ে চিকিৎসা করা যাবে। বিটা-হিমোলাইটিক স্ট্রেপ্টোকক্কাল সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিকিৎসা কমপক্ষে ১০ দিন চালাতে হবে।
প্রতিনির্দেশনা
ক্লিন্ডামাইসিন অথবা এ ওষুধের যে কোন উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ক্লিন্ডামাইসিন ব্যবহারের ফলে যে ধরণের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় সেগুলো হচ্ছে - পেট ব্যাথা , অন্ননালীর প্রদাহ , অন্ননালীর আলসার , বমিভাব , বমি , ডায়রিয়া , প্রু রাইটাস , স্কি ন র্যা শ , আর্টিকারিয়া ।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
প্রেগন্যান্সি ক্যাটেগরি বি। ক্লিন্ডামাইসিন মানবদেহের প্লাসেন্টা অতিক্রম করে। এমনিওটিক ফ্লুয়িডে এ ওষুধের মাত্রা মায়ের মাত্রার ৩০%। সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা থাকলেই কেবলমাত্র ক্লিন্ডামাইসিন গর্ভকালে ব্যবহার করা উচিত। মাতৃদুগ্ধে ক্লিন্ডামাইসিন উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গিয়াছে। সুতরাং স্তন্যদানকালে এ ওষুধটির সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা না থাকলে নির্দেশিত নয়।
সতর্কতা
যে রোগীদের পরিপাকতন্ত্রের রোগ বিশেষতঃ কোলাইটিস এর ইতিহাস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ক্লিন্ডামাইসিন ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Macrolides