নির্দেশনা
জলমিট্রিপ্টান অরা সহ অথবা অরা ব্যতীত মাইগ্রেনের তাৎক্ষণিক চিকিৎসায় নির্দেশিত।
উপাদান
ফার্মাকোলজি
করোটির নির্দিষ্ট রক্তনালীর প্রসারণ বা ট্রাইজেমিনাল সিস্টেমে স্নায়ুপ্রান্তে সেনসরি নিউরোপেপটাইড নিঃসরণের ফলে মাইগ্রেনের ব্যথা অনুভূত হয়। জলমিট্রিপ্টান করোটির রক্তনালী এবং ট্রাইজেমিনাল সিস্টেমে সেনসরি স্নায়ুর 5-HT 1B/1D রিসেপ্টরের আনুকূল্যে প্রভাব বিস্তার করার মাধ্যমে রক্তনালীর সংকোচন ও প্রদাহ সৃষ্টিকারী নিউরো পেপটাইড নিঃসরণ বাধাগ্রস্থ করে মাইগ্রেন নিরাময়ে কার্যকারিতা প্রদর্শন করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
জলমিট্রিপ্টান গ্রহণের সুপারিশকৃত প্রারম্ভিক মাত্রা ২.৫ মি.গ্রা.। একবার গ্রহণে সর্বোচ্চ অনুমোদিত মাত্রা ৫ মি.গ্রা.। জলমিট্রিপ্টান গ্রহণের ২ ঘণ্টার মধ্যে যদি ব্যথা উপশম না হয় অথবা সাময়িক উপশমের পর ব্যথা ফিরে আসে, সেক্ষেত্রে প্রথমবার গ্রহণের ন্যূনতম ২ ঘণ্টা পর দ্বিতীয় মাত্রা গ্রহণ করা যেতে পারে। দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা ১০ মি.গ্রা.।
প্রতিনির্দেশনা
ইস্কেমিক করোনারী আর্টারি ডিজিজ ও স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগী, মনোঅ্যামাইনো অক্সিডেজ ইনহিবিটর জাতীয় ঔষধ গ্রহণকারী এবং জলমিট্রিপ্টান এর প্রতি অতি সংবেদনশীল ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সাধারণত ঘাড়ে বা গলায় ব্যথা ও চাপ, মাথা ঘোরানো, হাত-পা জ্বালাপোড়া, শারীরিক দুর্বলতা, নিদ্রালুতা, গরম/ ঠাণ্ডা অনুভূতি, বমিভাব, ভার অনুভব ও মুখে শুষ্কতা পরিলক্ষিত হয়।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি-সি। জলমিট্রিপ্টান ব্যবহারে ভ্রুণের ঝুঁকির তুলনায় ঔষধের উপকারিতা বেশী প্রমাণিত হলে গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা যেতে পারে। জলমিট্রিপ্টান মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা জানা যায়নি। মায়ের জন্যে ঔষধের গুরুত্ব বিবেচনা করে স্তন্যপান বা ঔষধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সতর্কতা
জলমিট্রিপ্টান গ্রহণের পর বিরল ক্ষেত্রে হৃৎপিণ্ডের ওপর গুরুতর প্রতিক্রিয়া যেমন-মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন হতে পারে। এছাড়া বুকে, গলায়, ঘাড়ে ও চোয়ালে টান, ব্যথা এবং চাপ অনুভূত হতে পারে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
5-HT Agonists
সংরক্ষণ
আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ৩০° সে তাপমাত্রার নীচে সংরক্ষণ করুন। সকল ঔষধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।