নির্দেশনা
ভেরাপামিল হাইড্রোক্লোরাইড ট্যাবলেট নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত- এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন এনজিনা পেকটোরিস ও রি-ইনফার্কসন রোধে সুপরাভেন্ট্রিকুলার এরিদমিয়া
Composition
ফার্মাকোলজি
মাত্রা ও সেবনবিধি
ভেরাপামিল ট্যাবলেট এর মাত্রা টাইট্রেশনের মাধ্যমে স্বাতন্ত্রিক হওয়া এবং খাবার পরে সেবন করা উচিত। এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন : শুরুতে প্রতিদিন সকালে ১৮০ মি.গ্রা. মাত্রার ভেরাপামিল খাওয়ানোর পর যদি পর্যাপ্ত আশানুরূপ উপকার পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে নিম্নরূপভাবে মাত্রা সমন্বয় করা যেতে পারেঃ ২৪০ মি.গ্রা. প্রতিদিন সকালে, ১৮০ মি.গ্রা. করে প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায়, ২৪০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘন্টা অন্তর। এনজিনা : ৮০ মি.গ্রা থেকে ১২০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার। ডিজিটালাইজড রোগীদের এরিদমিয়ার ক্ষেত্রে : অবস্থার ভয়াবহতার উপর নির্ভর করে ভেরাপামিলের বিভক্ত মাত্রা ২৪০ মি.গ্রা. থেকে ৩৬০ মি.গ্রা. পর্যন্ত হওয়া উচিৎ। সাধারণত ভেরাপমিলের বিভক্ত মাত্রা ১৮০ মি.গ্রা. পর্যন্ত প্রয়োজন হয়।
প্রতিনির্দেশনা
লেফট্ ভেন্ট্রিকলের প্রচন্ড কার্যহীনতা নিম্নরক্তচাপ অথবা কার্ডিওজেনিক শক সিক্ সাইনাস সিনড্রোম (যাদের কার্যকর কৃত্রিম ভেন্ট্রিকুলার পেসমেকার আছে তাদের ছাড়া) সেকেন্ড অথবা থার্ড ডিগ্রী এট্রিওভেনট্রিকুলার ব্লক (যাদের কার্যকর কৃত্রিম পেসমেকার আছে তাদের ছাড়া) যে সমস্ত রোগীর এট্রিয়াল ফ্লাটার অথবা এট্রিয়াল ফিব্রিলেশন এবং অতিরিক্ত বাইপাস ট্রাক্ট আছে (যেমন: উলফ-পারকিনসন হোয়াইট, লন-গ্যানোংগ-লেভিন সিনড্রোম) যে সমস্ত রোগী ভেরাপামিল হাইড্রোক্লোরাইডের প্রতি অতি সংবেদনশীল।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ভেরাপামিল সাধারণত সুসহনীয়। ভেরাপামিল সেবনের পর নিম্নলিখিত প্রতিক্রিয়াগুলি সম্পূর্ণ ঔষধ নির্ভর এবং প্রায় ৫০০০ রোগীর উপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ১% এর বেশী রোগীর ক্ষেত্রে পাওয়া গেছে। পরিপাকতন্ত্র : কোষ্ঠকাঠিনা, বমি বমি ভাব । রক্তসংবহনতন্ত্র : হাইপোটেনশন, ইডিমা, কনজেসটিভ হার্ট ফেইলিওর, পালমোনারী ইডিমা, ব্রাডিকার্ডিয়া, এভি ব্লক। শ্বাসতন্ত্র : উচ্চ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমন স্নায়ুতন্ত্র : ঝিমুনি, মাথাব্যথা, অবসাদ। ত্বক : র্যাশ, লালচে ভাব যকৃত : যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবর্তী মায়েদের উপর তেমন কোন নিখুঁত এবং নিয়ন্ত্রিত গবেষণা হয় নাই, সে জন্য গর্ভবর্তী মায়েদের ক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় মনে হলে শুধু তখনই ব্যবহার করা উচিত। ভেরাপামিল প্লাসেন্টাল বেরিয়ার ভেদ করতে পারে এবং ডেলিভারির সময় নাভির শিরার রক্তে ইহার উপস্থিতি সনাক্ত করা যায়। ভেরাপামিল মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয়। ভেরাপামিল খাওয়ার সময় সন্তানকে বুকের দুধ দেয়া উচিত নয়।
সতর্কতা
যে সমস্ত রোগীর প্রথম ডিগ্রী এভি ব্লক আছে, ব্রাডিকার্ডিয়া যেমন <৫০ বিট/মিনিটে, নিম্নরস্তচাপ যেমন, সিসটোলিক প্রেসার <৯০ মি.মি. মারকারী, এট্রিয়াল ফ্লাটার ফিব্রিলেশন এবং একই সঙ্গে প্রি-একসাইটেশন সিনড্রোম যেমন, ডব্লিউপিডব্লিউ সিনড্রোম, হার্ট ফেইলার যা পূর্বে কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড/ডাইইউরেটিক্স এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হতো তাদের ক্ষেত্রে যত্নবান হওয়া উচিত। ভেরাপামিল বিশেষ করে চিকিৎসার প্রারম্ভিক অবস্থায় এবং এ্যালকোহলের সঙ্গে সেবন করলে মেশিনারী সামগ্রী চালানো এবং পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ভেরাপামিল এ্যালকোহলের নিষ্কাশন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে এবং এ্যালকোহলের প্রভাব দীর্ঘায়িত করে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Calcium-channel blockers