MEDIXOBD.COM

Repaglinide  

নির্দেশনা

যে সব ক্ষেত্রে সন্তোষজনকভাবে টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস (এন.আই.ডি.ডি.এম.) রোগীদের রক্তে অধিক গ্লুকোজের মাত্রা, পুষ্টি এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করা যায়না সেসব ক্ষেত্রে রিপাগ্লিনাইড রক্তে গ্লুকোজ কমানোর মাধ্যমে পুষ্টি ও ব্যায়ামের পরিপূরক হিসাবে কাজ করে। পুষ্টি ও ব্যায়ামের মাধ্যমে অথবা শুধুমাত্র রিপাগ্লিনাইড ও মেটফরমিন এককভাবে নির্দেশনায় যে সমস্ত রোগীদের রক্তে অধিক গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রন হয় না এমন রোগীদের রক্তে গ্লুকোজ কমাতে রিপাগ্লিনাইড ও মেটফরমিন যুক্তভাবে নির্দেশিত।

উপাদান

ফার্মাকোলজি

মাত্রা ও সেবনবিধি

রক্তে গ্লুকোজ কমায় এমন ঔষধ দ্বারা পূর্বে যে সমস্ত রোগীরা চিকিৎসা করেনি অথবা যাদের এইচবিএ১সি ৮% এর কম তাদের ক্ষেত্রে প্রারম্ভিক মাত্রা প্রতিবার প্রধান খাবারের পূর্বে ০.৫ মি.গ্রা. হওয়া উচিত। রক্তে গ্লুকোেজ কমায় এমন ঔষধ দ্বারা পুর্বে যে সমস্ত রোগীরা চিকিৎসা করেছে অথবা যাদের এইচবিএ১সি ৮% এর সমান বা বেশী তাদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সেবন মাত্রা প্রতিবার প্রধান খাবারের পূর্বে ১ অথবা ২ মি.গ্রা.। প্রত্যেক প্রধান খাবারের কিছুটা পূর্বে কিংবা সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট আগে রিপাগ্লিনাইড গ্রহন করা উচিত। ১ থেকে ২ সপ্তাহের ফলাফলের উপর নির্ভর করে রিপাগ্লিনাইডের সেবন মাত্রা নির্ধারন করা উচিত; একক মাত্রা হিসেবে ৪ মি.গ্রা. পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে৷ দিনের সর্বোচ্চ মাত্রা ১৬ মি.গ্রা.।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নে উল্লেখিত রোগে ভুগছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে রিপাগ্লিনাইড প্রতিনির্দেশিত: কোমা অথবা কোমা বিহীন ডায়াবেটিক এসিডোসিস টাইপ ১ ডায়াবেটিস মেলাইটাস এবং ঔষধ অথবা ঔষধের নিষ্ক্রিয় উপাদানের প্রতি সংবেদনশীলতা।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

রিপাগ্লিনাইডের সবচেয়ে সচরাচর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে হাইপোগ্লাইসেমিয়া এবং আনুসাঙ্গিক উপসর্গ। অন্যান্যের ভিতর উচ্চ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমন, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি-বমি ভাব এবং বমি। সংবেদনশীল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হলো ত্বকে ফুসকুড়ি এবং আর্টিকারিয়া।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় রিপাগ্লিনাইড সেবনের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে সে ক্ষেত্রে রিপাগ্লিনাইড গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা উচিত। রিপাগ্লিনাইড মাতৃদুগ্ধে নিঃসরিত হয় কিনা জানা যায়নি। যেহেতু অনেক ঔষধই মাতৃদুগ্ধে নিঃসরিত হয় এবং দুগ্ধজাত শিশুর উপর রিপাগ্লিনাইডের গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে তাই মায়ের জন্য ঔষধের গুরুত্ব বিবেচনা করে হয় স্তন্যদান নয় ঔষধ ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্তে আসা উচিত।

সতর্কতা

যুগপৎ অসুস্থতা (যেমনঃ- মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশান, কোমা, সংক্রমন এবং ট্রমা) এবং সার্জারি চলাকালীন ইনসুলিন প্রতিস্থাপন করা উচিত। সব গ্লুকোজ কমানোর ঔষধই হাইপোগ্লাইসেমিয়া করতে পারে। হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি এড়ানোর জন্য রিপাগ্লিনাইড খাদ্যের সঙ্গে সেবন করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Meglitinide Analogues

সংরক্ষণ